Thursday April 2026

হটলাইন

কনটেন্টটি শেষ হাল-নাগাদ করা হয়েছে: শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২৫ এ ০৫:৪৫ AM

পৌরসভার পটভূমি

কন্টেন্ট: পাতা

ভাঙ্গুড়া চলনবিল বিধৌত একটি জনপদ। মূলত বড়াল নদী বেষ্টিত এই ভূ-ভাগ চলনবিল সন্নিহিত হওয়ায় প্লাবন সমভূমি দ্বারা গঠিত। প্রাচীন ইতিহাস সম্পর্কে তেমন সাক্ষ্য পাওয়া যায় না। তবে এর বুক চিরে খুলনা-ঢাকা, রাজশাহী-ঢাকা, দিনাজপুর-ঢাকা রেল যোগাযোগ ব্রিটিশদের দ্বারা তৈরী হওয়ায় তৎকালীন সময়ে ভাঙ্গুড়ার সাথে কলিকাতার যোগাযোগ ছিল। "ভাঙ্গুড়া" নামটি নিয়ে কিংবদন্তি প্রচলিত আছে। অনেকে বলেন, বড়াল এবং গুমানী নদীর ভাঙ্গন কবলিত এলাকা হওয়ায় এর প্রাচীন নাম ছিল ভাংগুরিয়া। এভাবে ভাংগুরিয়া থেকে ভাংগুড়া নামের উদ্ভব হয়। বর্তমানে গুমানী ও বড়ালের সংযোগকারী একটি খালের স্রোতরেখা বিদ্যমান আছে। যার ফলে এই জনশ্রুতির পক্ষে প্রমাণ পাওয়া যায়। অনেকে বলে থাকেন নেশা জাতীয় ভাং গাছের গুঁড়া এখানে প্রচুর পরিমাণ পাওয়া যেত সেজন্য এর নাম ভাঙ্গুড়া হয়। এমতের পক্ষে তেমন জোড়ালো প্রমাণ পাওয়া যায় না।
ভাঙ্গুড়া ইউনিয়ন মূলত ফরিদপুর থানার একটি অংশ ছিল যা পরবর্তীতে উপজেলা হিসেবে উন্নীত হওয়ার পর এটি ইউনিয়ন পরিষদে রূপান্তরিত হয়।
চাটমোহর ও ফরিদপুর থানার কিছু অংশ নিয়ে ১৯৮১ সালে ভাঙ্গুড়া উপজেলা গঠিত হয়। ভাঙ্গুড়া আপগ্রেড থানা হয় ১৯৮২ সালে। ভাঙ্গুড়া মৌজার নামানুসারে ভাঙ্গুড়া উপজেলার নাম করণ করা হয়েছে।
৩০-০৯-১৯৯৯ সালে ভাঙ্গুড়া ও পার-ভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের আংশিক ৬.৬৯ বর্গকিলোমিটার আয়তন নিয়ে ‘‘গ’’ শ্রেণী হিসাবে রাজশাহী বিভাগের পাবনা জেলার ভাঙ্গুড়া উপজেলায় ভাঙ্গুড়া পৌরসভা গঠিত হয়। এর আগে ভাঙ্গুড়া পৌরসভা ভাঙ্গুড়া ও পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের অংশ ছিল। ভাঙ্গুড়া ও পারভাঙ্গুড়া ইউনিয়নের নামানুসারে ভাঙ্গুড়া পৌরসভার নাম করণ করা হয়েছে। ধারাবাহিকতায় গ শ্রেণী হতে খ শ্রেণীতে উন্নীত হয় ও ০৭-০৩-২০১৭ সালে খ শ্রেণী হতে ক শ্রেণীতে উন্নীত হয়। বর্তমানে ভাঙ্গুড়া সড়ক,রেল এবং নদীপথে ঢাকা-খুলনা-রাজশাহী-নাটোর-দিনাজপুর-রংপুর-বগুড়ার সাথে যুক্ত। এ কারণে বাংলাদেশের সমগ্র অঞ্চলের সাথে ভাঙ্গুড়ার উন্নত যোগাযোগ থাকায় এ পৌরসভার উন্নয়নের অমিত সম্ভাবনা লুকিয়ে আছে। পরিকল্পিত নগরায়ন ভাঙ্গুড়া শহরকে এ অঞ্চলের একটি উন্নত মানব বসতি কেন্দ্র হিসাবে গড়ে তুলতে পারে।

এক্সেসিবিলিটি

স্ক্রিন রিডার ডাউনলোড করুন